ইমারত নির্মাণ আইন ও বিধি ছিদ্দিকুর রহমান মিয়া Imarat Nirman Aine O Bidhi Siddikur Rahaman Mia
By : Justice, Siddikur Rahaman MiaFrom : New Warsi Book Corporation
Pages:
৪৭২
First Edition:
Last Edition:
Paper:
Binding:
"ইমারত নির্মাণ আইন ও বিধি" বইটির ভুমিকা থেকে নেয়াঃ
বাসস্থান মানুষের মৌলিক চাহিদার মধ্যে একটি। বাংলাদেশের জমির পরিমাণ সীমিত। কিন্তু লােকসংখ্যা দিন দিন বাড়িয়াই চলিতেছে। ফলে বাসস্থানের সংকট ক্রমেই বাড়িয়া চলিতেছে। যুগের চাহিদার সাথে তালমিলাইয়া ক্রমেই মানুষ শহরমুখী হইতেছে এবং শহরে বাসস্থানে তৈয়ারীর প্রবণতাও দিন দিন বাড়িয়া চলিতেছে। তাই সীমাবদ্ধ ভূমির মধ্যে এলােমেলােভাবে ইমারত নির্মাণ শুরু করিতেছে। চলাচল ও বসবাসের অসুবিধা হইতেছে। ফলে জনজীবন বিষময় হইয়া উঠিতেছে। এইরূপ এলােমেলাে ইমারত নির্মাণ কোনক্রমেই রাষ্ট্রের ও সমাজের জন্য শুভ নয়। তাই ইহা কাম্যও নহে।
এইরূপ এলােমেলাে ইমারত নির্মাণ প্রতিহত করিবার জন্য দরকার সুন্দর আইন এবং উহা কার্যকর করিবার জন্য বিধির। ১৯৫২ সালে ইমারত নির্মাণ আইন প্রণিত হয়। ইহা একটি গুরুত্বপূর্ণ আইন। এই আইনের উদ্দেশ্য হইতেছে এলােমেলাে ইমারত নির্মাণ বন্ধ করিয়া রাষ্ট্রের পরিকল্পিত উন্নয়ন ও সৌন্দৰ্য্যকরণ বৃদ্ধি করা। যুগের চাহিদা অনুসারে ১৯৫২ সনে নির্মাণ আইনকে আরও কার্যকর করিবার জন্য ১৯৮৪ সালে বিধি তৈয়ার করা হয় এবং ১৯৮৬ সালে এই আইনের কিছু সংশােধন করা হয়। এতসব করা সত্ত্বেও ১৯৮৪ সালের বিধি যুগের চাহিদা মিটাইতে সক্ষম না হওয়ায় ১৯৫২ সালের ইমারত নির্মাণ আইনকে অধিক কার্যকর করার জন্য ১৯৯৬ সালে বিভিন্ন দিক বর্ধিত করিয়া বিধি প্রণয়ন করা হয়। ইমারত নির্মাণ আইনকে পূর্ণাঙ্গভাবে বুঝিতে হইলে এই আইনের সাথে সাথে বিধিকে সংযুক্ত করিয়া পড়িতে হইবে। ইমারত নির্মাণ আইনের সর্বশেষ সংশােধনসহ ১৯৯৬ সালে ইমারত নির্মাণ বিধি এবং ২০০৬ সালে ঢাকা মহানগর ইমারত নির্মাণ বিধিমালা সংযােজন করিয়া ইমারত নির্মাণ আইনকে সুন্দর ও পূর্ণাঙ্গ করিয়া তােলা হইয়াছে। ২০০৬ ও ২০০৭ সালের বিধিমালা রহিত করিয়া সর্বশেষ ২০০৮ সালে ঢাকা মহানগর ইমারত নির্মাণ বিধিমালা-২০০৮ প্রণয়ন করা হইয়াছে। ইমারত নির্মাণকারী সকলকে এবং ইমারত নির্মাণের সহিত সম্পৃক্ত সকলকেই এই আইনটি ভাল করিয়া জানা দরকার। যেহেতু ১৯৫২ সালের ইমারত নির্মাণ আইনটি সর্বশেষ সংশােধনী ও সর্বশেষ জারীকৃত বিধি দ্বারা সংযােজিত করা হইয়াছে। তাই এই আইনটি সংশ্লিষ্ট সকলের অশেষ উপকারে আসিবে বলিয়া আমার দৃঢ় বিশ্বাস। তাহা ছাড়া এই আইনের সাথে ইমারত নির্মাণ সংক্রান্ত কিছু প্রয়ােজনীয় তথ্য সংযােজন করা হইয়াছে যদ্বারা বইটির সৌন্দর্য ও গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি পাইয়াছে।
বাসস্থান মানুষের মৌলিক চাহিদার মধ্যে একটি। বাংলাদেশের জমির পরিমাণ সীমিত। কিন্তু লােকসংখ্যা দিন দিন বাড়িয়াই চলিতেছে। ফলে বাসস্থানের সংকট ক্রমেই বাড়িয়া চলিতেছে। যুগের চাহিদার সাথে তালমিলাইয়া ক্রমেই মানুষ শহরমুখী হইতেছে এবং শহরে বাসস্থানে তৈয়ারীর প্রবণতাও দিন দিন বাড়িয়া চলিতেছে। তাই সীমাবদ্ধ ভূমির মধ্যে এলােমেলােভাবে ইমারত নির্মাণ শুরু করিতেছে। চলাচল ও বসবাসের অসুবিধা হইতেছে। ফলে জনজীবন বিষময় হইয়া উঠিতেছে। এইরূপ এলােমেলাে ইমারত নির্মাণ কোনক্রমেই রাষ্ট্রের ও সমাজের জন্য শুভ নয়। তাই ইহা কাম্যও নহে।
এইরূপ এলােমেলাে ইমারত নির্মাণ প্রতিহত করিবার জন্য দরকার সুন্দর আইন এবং উহা কার্যকর করিবার জন্য বিধির। ১৯৫২ সালে ইমারত নির্মাণ আইন প্রণিত হয়। ইহা একটি গুরুত্বপূর্ণ আইন। এই আইনের উদ্দেশ্য হইতেছে এলােমেলাে ইমারত নির্মাণ বন্ধ করিয়া রাষ্ট্রের পরিকল্পিত উন্নয়ন ও সৌন্দৰ্য্যকরণ বৃদ্ধি করা। যুগের চাহিদা অনুসারে ১৯৫২ সনে নির্মাণ আইনকে আরও কার্যকর করিবার জন্য ১৯৮৪ সালে বিধি তৈয়ার করা হয় এবং ১৯৮৬ সালে এই আইনের কিছু সংশােধন করা হয়। এতসব করা সত্ত্বেও ১৯৮৪ সালের বিধি যুগের চাহিদা মিটাইতে সক্ষম না হওয়ায় ১৯৫২ সালের ইমারত নির্মাণ আইনকে অধিক কার্যকর করার জন্য ১৯৯৬ সালে বিভিন্ন দিক বর্ধিত করিয়া বিধি প্রণয়ন করা হয়। ইমারত নির্মাণ আইনকে পূর্ণাঙ্গভাবে বুঝিতে হইলে এই আইনের সাথে সাথে বিধিকে সংযুক্ত করিয়া পড়িতে হইবে। ইমারত নির্মাণ আইনের সর্বশেষ সংশােধনসহ ১৯৯৬ সালে ইমারত নির্মাণ বিধি এবং ২০০৬ সালে ঢাকা মহানগর ইমারত নির্মাণ বিধিমালা সংযােজন করিয়া ইমারত নির্মাণ আইনকে সুন্দর ও পূর্ণাঙ্গ করিয়া তােলা হইয়াছে। ২০০৬ ও ২০০৭ সালের বিধিমালা রহিত করিয়া সর্বশেষ ২০০৮ সালে ঢাকা মহানগর ইমারত নির্মাণ বিধিমালা-২০০৮ প্রণয়ন করা হইয়াছে। ইমারত নির্মাণকারী সকলকে এবং ইমারত নির্মাণের সহিত সম্পৃক্ত সকলকেই এই আইনটি ভাল করিয়া জানা দরকার। যেহেতু ১৯৫২ সালের ইমারত নির্মাণ আইনটি সর্বশেষ সংশােধনী ও সর্বশেষ জারীকৃত বিধি দ্বারা সংযােজিত করা হইয়াছে। তাই এই আইনটি সংশ্লিষ্ট সকলের অশেষ উপকারে আসিবে বলিয়া আমার দৃঢ় বিশ্বাস। তাহা ছাড়া এই আইনের সাথে ইমারত নির্মাণ সংক্রান্ত কিছু প্রয়ােজনীয় তথ্য সংযােজন করা হইয়াছে যদ্বারা বইটির সৌন্দর্য ও গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি পাইয়াছে।
This content will be shared across all product pages.
Your Dynamic Snippet will be displayed here...
This message is displayed because youy did not provide both a filter and a template to use.